প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজশাহীর দুর্গাপুর একটি সরকারি কলেজে ইসলামী জলসা ও মসজিদের অনুদান চাওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি নেতার সঙ্গে এক কলেজ শিক্ষিকার হাতাহাতি এবং পরবর্তীতে দলীয় নেতাকর্মীদের হামলায় অধ্যক্ষসহ অন্তত পাঁচজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার দুর্গাপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
রাজশাহীর দুর্গাপুর একটি সরকারি কলেজে ইসলামী জলসা ও মসজিদের অনুদান চাওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি নেতার সঙ্গে এক কলেজ শিক্ষিকার হাতাহাতি এবং পরবর্তীতে দলীয় নেতাকর্মীদের হামলায় অধ্যক্ষসহ অন্তত পাঁচজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার দুর্গাপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত ইসলামীর ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এম. এন. মঈদার ও ২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আজাজ উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের কাছে যান। সেখানে তারা ইসলামী জলসা ও মসজিদের উন্নয়নের জন্য চাঁদা দাবির কথা জানান। এ সময় কথাবার্তার দৃশ্য নিজ মোবাইলে ধারণ করছিলেন কলেজের এক শিক্ষিকা আলিয়া খাতুন।
বিএনপি নেতা ভিডিও করতে নিষেধ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে শিক্ষিকা আলিয়া খাতুন বিএনপি নেতা আজাজ উদ্দিনকে নিচে বসার নির্দেশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আজাজ উদ্দিন শিক্ষিকাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে ‘পাগলি’ বলে অপমান করেন। ভিডিওতে তাকে ওই শিক্ষিকার চুল ধরে টেনে মাটিতে ফেলে মারধরের ঘটনাও দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর আজাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন বিএনপি নেতাকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে কলেজে প্রবেশ করেন। হামলাকারীরা ডিগ্রি পরীক্ষার চলাকালীন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কলেজটিতে ভাঙচুর চালায় এবং অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ ও শিক্ষিকা আলিয়া খাতুনসহ প্রায় পাঁচজন শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করে। এতে অধ্যক্ষ ও ওই শিক্ষিকা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরেশ চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের হয়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ns bdc