গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি

প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

ঠিক দুই বছর পর আসন্ন ৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লির এফসিসিতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশে ফেরার এবং তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দর্শনের ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি সরাসরি উপস্থিত না হয়ে কেবল অডিওর মাধ্যমে যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ডক্টর ওয়ায়েল আউয়াদ।

ড. ওয়ায়েল আউয়াদ জানান, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের হাই কমিশনারকে একাধিকবার এফসিসিতে বক্তব্য দিতে এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি। ভারতের সংসদীয় কমিটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিষয়ে পর্যালোচনার বিষয়ে ক্লাবটি তাদের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখছে এবং ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো আপত্তি বা বাধা দেওয়া হয়নি বলে তিনি জানান।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই সেশন আয়োজিত হবে এবং এতে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার সুযোগ থাকবে।শেখ হাসিনা ছাড়াও এই প্যানেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক, বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ার অংশগ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে আইনি বিচার চলছে এবং দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও দৈনিক ওয়াদা

  • শেয়ার করুন