প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পর প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছে নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের তিন সদস্য সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। ইরানকে ঘিরে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে নেতারা একমত হয়েছেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত জোটের প্রথম বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানরা অংশ নেন। বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপসাগরীয় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টিও উঠে আসে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সদস্যদেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন নেতারা।
বৈঠক শেষে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে নেতারা একমত হয়েছেন। জোটের অংশীদার হিসেবে একাধিক দেশকে সদস্যপদ দেওয়ার একটি রূপরেখাও তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, জোটে যোগ দিতে আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে নির্ধারিত শর্ত, পদ্ধতি ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে আলোচনা করে সদস্যপদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো—জোটের কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর আগ্রাসন হলে তার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে এই প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
জোটের সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে মিসরকে বিবেচনায় নিতে আগ্রহী আঙ্কারা। একই সঙ্গে এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশও আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেছে।
ns coll