প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের পক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলার ভোট পুনর্গননা ও বাতিল ভোট পুন:পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে তার নির্বাচনী এজেন্ট মিয়া গোলাম কুদ্দুস খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকারের কাছে এ আবেদন করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত খুলনা-৫ এর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী এজেন্ট। খুলনা-৫ আসনের অন্তর্গত ডুমুরিয়া উপজেলার ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সঠিকভাবে বৈধ ব্যালট পেপার গণনা না করে ও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের বৈধ ব্যালট পেপার বাতিল করে গণনা বহির্ভূত রেখে গণনা করায় প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগর লবীর তুলনায় সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমার পোলিং এজেন্টদের আপত্তির পরও প্রিসাডিং অফিসাররা বৈধ ব্যালট পেপার পুনর্গণনা করেননি ও বাতিল ভোটগুলো পুনঃনিরীক্ষা করেননি। আমার বিশ্বাস বৈধ ব্যালট পেপারগুলো পুনর্গণনার ও বাতিল করা ভোটগুলো পুনঃপরীক্ষা করে একত্রে পুনর্গণনার করলে দাঁড়িপাল্লা বিজয় লাভ করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ আসনের অন্তর্গত ডুমুরিয়া উপজেলার সব কেন্দ্রের বৈধ ব্যালট পেপার পুনর্গণনার ও বাতিল ভোট পুনর্গণনার দাবি জানাচ্ছি।
আবেদনকারী মিয়া গোলাম কুদ্দুস বলেন, অফিস ছুটির দিন হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে তার প্রতিনিধির কাছে আবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি সিলমোহর দিয়ে আবেদনটি রিসিভ করেছেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেনজামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেন
খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামসেদ খন্দকার বলেন, গত শুক্রবার আমার বরাবর আবেদন করেছেন। তবে বিষয়টি আমার হাতে নেই। এটির গেজেট হয়েছে। ইলেকশন কমিশন যদি ট্র্যাইবুনাল করে তাহলে তাকে সেখানে (ট্র্যাইবুনাল) যেতে হবে।
ns coll