খুলনার ৬ আসনে বিএনপি-জামায়াতের কঠিন লড়াই

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। জোট ও উন্নয়ন রাজনীতির হিসাব মিলিয়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা।
খুলনার ছয়টি আসনই বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিতি। খুলনা জেলায় মোট ভোটার ২১ লাখ ১ হাজার ৩৩৫ জন। এবারের নির্বাচনে জোটকে ছাড় দেওয়ায় পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াতে ইসলামী। নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রগঠনে জনগণ পরিবর্তন চাইছে, তাই জয়ের জন্য আশাবাদী তাঁরা। তবে বিএনপি আমলের উন্নয়নের কারণে জেলার সব আসনই নিজেদের দখলে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস বিএনপির।সুন্দরবনবেষ্টিত বন্দরনগরী খুলনার ছয়টি আসনের সবগুলোতেই প্রার্থী রয়েছে বিএনপির। তবে খুলনা-৪ আসনটি জোটের খেলাফত মজলিসকে ছাড় দেওয়ায় জামায়াত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে পাঁচটিতে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের পাঁচ প্রার্থীসহ মোট প্রতিদ্বন্দ্বী আছেন ৩৮ জন। গণতেন্ত্রের অগ্রযাত্রার পথে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে চান ভোটারেরা।
স্থানীয়রা বলছেন, এ দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় ভোট দিতে পারে নাই। এবারের ভোটে ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণের জোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে।২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করেছিল জামায়াত। তিনটি আসনে বিএনপি এবং দুটিতে জামায়াত জিতেছিল। খুলনা-১ আসন পেয়েছিল বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।এবার সব আসনেই জয়ের আত্মবিশ্বাস বিএনপির। নেতাদের আশা, বিএনপি আমলের নানা উন্নয়ন বিবেচনায় তাঁদেরকেই বেছে নেবেন ভোটারেরা।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘এখানে কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নেই। খুলনার ছয়টি আসনই বিএনপির ঘাঁটি। আমরাই এখানে নির্বাচিত হব।’

এদিকে এবার এনসিপিসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে জোট বেঁধেছে জামায়াত। নেতারা বলছেন, পরিবর্তন চাইছেন ভোটারেরা।
খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান জানান, জামায়াত সরকারকে এককভাবে ক্ষমতায় এখনও দেখেনি জনগণ। তাদের মধ্যে এটি দেখার একটা প্রত্যাশা রয়েছে।
খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব মো. বাবুল হাওলাদার বলছেন, এবার ভোটের হিসাব হবে ভিন্ন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে কোন দল এগিয়ে থাকবে তা আগাম বলা কঠিন।
credit :অভিজিৎ পাল

  • শেয়ার করুন