প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬
ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) ভোরে শহরের পায়রা চত্বরে ছাত্রলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরান।
ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘যেখান থেকে থেমে ছিলাম, সেখান থেকে আবার এগিয়ে চলা।’ ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে এলে পুলিশ আইনি পদক্ষেপ নেয়।
১ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোরে পায়রা চত্বর এলাকায় একটি ব্যানার নিয়ে মিছিল শুরু হয়। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল–ইমরান। তার সঙ্গে অর্ধশতাধিক নেতা–কর্মী অংশ নেন। মিছিলটি পায়রা চত্বর থেকে শুরু হয়ে সরকারি কেসি কলেজ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের ট্রাইব্যুনাল বন্ধ কর’, ‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চাই’, ‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা মানি না, মানব না’ প্রভৃতি স্লোগান।
এ ঘটনায় সোমবার ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই রাজীব আলী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২৪ নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করা হয়। সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে জেলা যুবলীগের সদস্য মেহেদী হাসান সোহেল (৩৫), ছাত্রলীগের কর্মী নীলয় ফারহান (২০) ও আশিক (২২) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। দুজন এজাহারনামীয় ও একজন অজ্ঞাতনামা আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ns coll