প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
স্থানীয়রা জানান, মহাসড়ক পার হওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীর গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি হাসপাতালে নেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী মৃত নিজামুদ্দীন সরদার।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহত ফিরোজার বাড়িতে যান শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাজুল ইসলাম। তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফিরোজার বড় ছেলে ফেরদৌস হোসেন কয়েক বছর আগে মারা যান। ছোট ছেলে সেলিম সরদার কৃষিকাজ করেন। পাঁচ মেয়ের সবাই বিবাহিত। স্বামীর মৃত্যুর পর বড় ছেলে ফেরদৌসের স্ত্রী রিপা বেগম ও ছোট ছেলে সেলিমের স্ত্রী রেশমা বেগমের সঙ্গে থাকতেন ফিরোজা।
ফিরোজার ভাতিজা জাকির হাসান বলেন, বড় চাচা নিজামুদ্দীন মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন ফিরোজা। বিঘা দুয়েক জমি চাষাবাদ করে সংসার চলত। শুক্রবার গুজিয়ায় বড় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অটোরিকশা ধরতে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন তিনি।
জাকির হাসান বলেন, তারা ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছেন। এ ঘটনায় তাদের কোনো অভিযোগ নেই। বয়সের কারণে অসাবধানতাবশত মহাসড়ক পার হতে গিয়ে গাড়ির সঙ্গে ফিরোজার ধাক্কা লাগে বলে জানান তিনি।
ফিরোজার পুত্রবধূ রেশমা বেগম বলেন, ‘মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। পরে লাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।’
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান বলেন, বাদ আসর ফিরোজা বেগমের লাশ দাফন করা হয়েছে।
ns coll