বাবরি মসজিদের ৫০ শতাংশের বেশি অর্থ এসেছে বাংলাদেশ থেকে: শুভেন্দু

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদের অর্থ যোগাচ্ছে বাংলাদেশ! বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজের জন্য ৫০ শতাংশের বেশি অর্থ সাহায্য এসেছে বাংলাদেশ থেকে। বাংলাদেশ থেকে জামায়াতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শক্তির মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দুর অভিযোগ, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে সাতদিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন। যদিও শুভেন্দুর এমন বক্তব্যকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বাবরি মসজিদের মূল উদ্যোক্তা তৃণমূল কংগ্রেসের বরখাস্তকৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির।আগামী এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। বাংলাদেশের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ভারতের এই রাজ্যটিতে নির্বাচনের আগে তুঙ্গে উঠেছে হিন্দু মুসলিম রাজনৈতিক বিতর্ক। যার অন্যতম কেন্দ্রে এখন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ ইস্যু। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বুধবার উত্তর কলকাতার মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি রাজ্যে কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, ‘তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন দল গঠনের আগে, সাতদিন বাংলাদেশে কাটিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাবরি মসজিদের জন্য যে অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তার ৫০ শতাংশের বেশি অর্থ বাংলাদেশ থেকে এসেছে।’

তিনি দাবি করেন, ‘বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আগে হুমায়ুন কবীর বাংলাদেশে ছিলেন সাতদিন। বাংলাদেশের জামায়াত ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেতু হুমায়ুন কবীর। হিন্দুরা তো বটেই, রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরাও এগিয়ে আসুন, এটা দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন।’শুভেন্দুর দাবি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুই পারেই মৌলবাদী শক্তি নিজেদের ঘাঁটি মজবুত করছে। বাংলার হিন্দুদের জন্য পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, খাগড়াগড় বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারা জড়িত ছিল? হরিহরপাড়া মাদ্রাসা থেকে ‘আনসারুল বাংলা’র সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কারা?তার অভিযোগ, সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে রাজ্য সরকার আগ্রহী নয়, সেকারণেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার কাজে রাজ্য সহযোগিতা করছে না। সাবেক তৃণমূল সংসদ সদস্য হাসান ইমরানের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা ভারতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি।

যদিও শুভেন্দুর সেই দাবির কড়া জবাব দিয়েছেন সদ্য জন্ম নেয়া জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন। রীতিমত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা। তার দল ভারতের বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারে আছে। উনি যে এত নির্বোধ বা অনভিজ্ঞ তা জানতাম না। মোদিজি কার লোক? তিনিই তো বিজেপির সর্বোচ্চ নেতা। অমিত শাহ সেকেন্ড ম্যান, ভারতের হোম মিনিস্টার। সব ধরনের তদন্তকারী সংস্থা তাদের হাতে রয়েছে। তাদের বলে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করে নিন। আমি যদি কোনও আইনবিরোধী কাজ করে থাকি আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।’
ns coll

  • শেয়ার করুন