প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সুবিদখালী বাজারের ফল ব্যবসায়ী নির্মল দাসকে (৫০) মারধর ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন সিকদারের বিরুদ্ধে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সুবিদখালী এলাকায় নির্মল দাসকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় ব্যবসায়ী নির্মল দাস বিএনপি নেতা সুজন সিকদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, বিএনপি নেতা সুজন সিকদার দীর্ঘদিন ধরে নির্মল দাসের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন।গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নির্মল বাসা থেকে সুবিদখালী তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আসার পথে বিএনপি নেতা সুজন সিকদারসহ তার সহযোগীরা নির্মলকে দেখে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা নির্মলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মির্জাগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, সুজন সিকদার ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মির্জাগঞ্জে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের কারণে ২০০৪ সালে মির্জাগঞ্জ থেকে পালিয়ে যান। ৫ আগস্টের পর এলাকায় এসে আবারও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালান।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো. সুজন সিকদার বলেন, ‘নির্মল দাসের ছেলে মাদকের সঙ্গে জড়িত বলে জানতে পেরেছি। তাই এলাকার পরিবেশ ঠিক রাখতে নির্মল দাসকে আগে সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি বিষয়টি আমলে নেননি।’তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনার দিন নির্মল দাসকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা শেষে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে টানাহেঁচড়া করা হয়েছে। তার কাছে কোনো চাঁদা চাওয়া হয়নি। এ অভিযোগ মিথ্যা।’
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুস ছালাম বলেন, ‘সুবিদখালী বাজারের হিন্দু ব্যবসায়ীকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ns coll