প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬
চাঁদা না দেওয়ায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দক্ষিণ আইচা থানা যুবদলের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় আফসার নামে ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতা গুরুতর আহত হন। শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ আইচা বাজারের চৌধুরী মার্কেট ভবনের নিচতলায় থানা যুবদল কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আফসার চরমানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি ওই এলাকার একজন তরমুজ চাষি।
অভিযুক্তরা হলেন- একই ওয়ার্ডের তোফাজ্জল মাতব্বরের ছেলে থানা যুবলীগের সদস্য মো. নূরনবী মাতব্বর (৪৫), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহাজল সিকদারের ছেলে আ. শহিদ ভুট্ট (৫০), সাইদের ছেলে মো. রবিউলসহ (৩৫) আরও ২০-৩০ জন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার দক্ষিণ আইচা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আফসারসহ কয়েকজন চাষি চর আইচা মৌজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তরমুজ চাষ করেন। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এ ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা যুবদল অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি করলে চাষিরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এ সময় অভিযুক্তরা তরমুজ চাষিদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এক পর্যায়ে তারা যুবদল অফিসের চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। হামলায় আহত আফসারকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানা যুবদল সভাপতি ইকবাল হাওলাদার জানান, রাতে থানা যুবদল অফিসের মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় থানা যুবলীগের সদস্য নুরনবী মাতাব্বরের নেতৃত্বে হঠাৎ ২০-৩০ জন প্রবেশ করে ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সভাপতি ও তরমুজ চাষি আফসারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসে হামলা করে মালামাল ভাঙচুর করেন।
নূরনবী ফোনে জানান, আফসার আমাদেরকে গালিগালাজ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করেছি। এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।