প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬
কুমিল্লার জুলাই শহীদ হামিদুর রহমান সাদমানের মা কাজী শারমিন আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ফোন ধরে না। আমরা প্রয়োজনে কল দিয়ে তাদের পাই না। আমার ছেলের কবর জিয়ারত করতে আসার সময়ও তাদের হয় না। আমার ছেলে জুলাইয়ে রক্ত দিয়েছে কিন্তু তারা অনেক বড় বড় নেতা হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এনসিপির ঘোষিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী এবং জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম কুমিল্লা নগরীর শহীদ হামিদুর রহমান সাদমানের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে সাদমানের মা এসব অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আহতদের রক্তের বিনিময়ে যারা পদ এবং ক্ষমতা পেয়েছে, তাদের পেছনের ইতিহাস মনে রাখতে হবে।
শহীদ সাদমানের রক্তাক্ত রুমাল হাতে নিয়ে তিনি বলেন, এ রক্তের ঋণ আমাদের শোধ করতে হবে। এ রক্তের দায় আছে। কোনো এমপি মন্ত্রীর সন্তান দেশের জন্য শহীদ হয়নি।
এ সময় অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, যারা জুলাইকে ধারণ করে, জুলাই নিয়ে কাজ করে, তাদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে শহিদদের আশা পূরণ হবে না। আমাদের কমিটমেন্ট আছে। এ সরকার দিয়ে পরিবর্তন না হলে, অন্য সরকার দিয়ে পরিবর্তন হবে। তরুণদের প্রতি মানুষে আস্থা আছে। আমরা দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করব।
তিনি বলেন, কুমিল্লা সিটির মেয়র পদে লড়ার আগে আমি শহীদ পরিবারের দোয়া নিতে আসছি, শুধু দোয়া নয় আমরা দায়িত্বও নিতে আসছি। আপনাদের যেকোনো সমস্যায় আমরা অবশ্যই পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখতে, জুলাইকে ধারণ করতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন জরুরি। বর্তমান সরকার জুলাই নিয়ে টালবাহানা করছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে ছাত্র জনতা আবারও রাজপথে নামবে।
তারিকুল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুমিল্লার অবদান অনস্বীকার্য। কুমিল্লার সাদমানের মতো সাহসী তরুণরা জীবন দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। আমরা তাদের এই ত্যাগের মূল্যায়ন করব ইনশাআল্লাহ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হানসহ স্থানীয় নেতারা।
Ns coll