প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২৫
শনিবার (২২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নেয়া হলে স্বজন ও প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রাফিউলের সঙ্গে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত নুসরাতকেও বগুড়ায় নেয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের ঘটনায় মাথায় একাধিক আঘাত লাগায় তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি এখনও জানেন না যে, ছেলের মরদেহের সঙ্গে একই সময়ে তাকেও বগুড়ায় পাঠানো হয়েছে। তার ছেলে নিহত এ খবর দেয়ার মতো সময় এখনও হয়নি।
রাফিউলের ফুফাতো ভাই পরাগ হোসেন বলেন, ‘আজ বাদ যোহর বগুড়ার কেন্দ্রীয় সূত্রাপুর ঈদগাহ মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে নামাজগড় আঞ্জুমান-ই-মফিদুল কবরস্থানে দাফন করা হবে।’
রাফিউল ২০২১ সালে বগুড়া আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং ২০২৩ সালে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি উত্তীর্ণ হন।
শুক্রবার সকালে পুরান ঢাকায় ভূমিকম্পের সময় বংশালের কসাইটুলীতে একটি ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে পড়ে। সে সময় মায়ের সঙ্গে বাজার করছিলেন রাফিউল। ভবনের একটি ইট তার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পাশে পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি।