প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬
নির্বাচনী প্রচারণার সময় সারাদেশে ১৫টি স্থানে নারীদের ওপর হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহিলা জামায়াতের পলিটিক্যাল এফেয়ার্সের প্রধান প্রফেসর ডা. উম্মে হাবিবা। তিনি বলেন, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, যেখানে বাঁধা আসবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
রোববার বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন। বিকাল ৩টা ১৬ মিনিট থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যর প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় সারাদেশে ১৫টি স্থানে নারীদের উপর হামলা হয়েছে। আমরা সবগুলো হামলার এভিডেন্সসহ কমিশনে জমা দিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা ভালো একটা পরিবেশ, সুষ্ঠু একটা পরিবেশে ভোট দিতে চাই। কারণ গত ১৫-১৬ বছর আমরা কেউ কিন্তু ভোট দিতে পারিনি। সুতরাং এই ইলেকশনটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই ইলেকশনে আমাদের বোনদেরকে প্রতিহত করা হচ্ছে। আমি মনে করি এটা গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। যেহেতু ৫০ শতাংশ মহিলা আমরা আছি সেই প্রতিবাদ করার জন্য আমরা এখানে এসেছি। নারীদের মর্যাদা অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াত আপ্রাণ চেষ্টা করছে।
এসময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নেই এবং বিএনপির অভিযোগ আজগুবি। আর আজগুবি অভিযোগ সুস্থ মাথা থেকে আসতে পারে না।
তিনি বলেন, সাম্প্রতি জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোটের জন্য যখন কাজ করছেন, তখন একদল লোক তাদের ওপর নির্যাতন, সাইবার বুলিং করছে। আর এটা বারবার ঘটছে। তাই এ বিষয়ে আমরা ইসিকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
জামায়াতের আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে। যারা এ কাজ করেছে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা সরকারের দায়িত্ব।
ns coll