খুলনায় যুবদল নেতারকে হত্যা

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

খুলনায় যুবদল নেতা মুরাদ খানের (৪৫) দুই পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছেন দুর্বৃত্তরা।তিনি জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহা‌টি ইউনিয়ন যুবদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বি‌কেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে উপ‌জেলার সেনহা‌টি বক্সীবা‌ড়ি কবরস্থা‌নের সাম‌নে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করেন। নিহত মুরাদ উপজেলার হাজীগ্রামের খান মুনসুর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, যুবদল নোত মুরাদ খান খুলনা থেকে তার হাজীগ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে সেনহাটী মিয়া পাড়া মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে। এ সময় মুরাদ দৌঁড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে অস্ত্রধারীরা সেখান থেকে ধরে নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে মুরাদ নিস্তেজ হয়ে পড়লে অস্ত্রধারীরা চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন মুরাদকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, যুবদল নেতা মুরাদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। কারণ উদঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, কারও সাথে কি সম্পর্ক রয়েছে তা বিবেচ্য বিষয় সয়।

আমাদের একজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু নয় একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। কাউকে হত্যা করার অধিকারতো কাউকে দেওয়া হয়নি।
তিনি আর বলেন, খুলনা-৪ আসনের এমপি আজিজুল বারী হেলাল প্রশাসনের সাথে কথা বলেছেন। উনি প্রশাসনকে অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে বলেছেন।

আমরা চাই খুলনার সকল হত্যাকান্ডের বিচার হোক। বিশেষ করে আজকের এ ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডের। একজন মানুষের রগ কেটে তাকে আটকিয়ে রেখে তার শরীর থেকে সব রক্ত বের হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে এটা অমানবিক। আমরা এ অমানবিক হত্যাকান্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানাই। আমরা দলীয়ভাবে তদন্ত করবো। এতে যদি দলীয় কারও নাম আসে তাহলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ns coll

  • শেয়ার করুন